১. অর্গানিক মার্কেটিং (ফ্রি পদ্ধতি)
এটি বিনামূল্যে করা যায়, তবে এতে সময় ও প্রচেষ্টা বেশি লাগে। এখানে কনটেন্ট ও কৌশলের মাধ্যমে ট্র্যাফিক বা বিক্রয় বাড়ানো হয়।
🔹 SEO (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) – ওয়েবসাইট বা কনটেন্টকে সার্চ ইঞ্জিনে র্যাংক করানোর প্রক্রিয়া।🔹 কনটেন্ট মার্কেটিং – ব্লগ, ভিডিও, আর্টিকেল, ইনফোগ্রাফিকের মাধ্যমে দর্শকদের আকৃষ্ট করা।
🔹 সোশ্যাল মিডিয়া অর্গানিক মার্কেটিং – বিনামূল্যে পোস্ট বা ভিডিও শেয়ার করে ট্র্যাফিক আনা।
🔹 ইমেইল মার্কেটিং (অর্গানিক গ্রোথ) – স্বাভাবিকভাবে গ্রাহকদের ইমেইল লিস্ট তৈরি করে প্রোমোশন করা।
২. পেইড মার্কেটিং (বিজ্ঞাপন ভিত্তিক পদ্ধতি)
এটি টাকা খরচ করে বিজ্ঞাপন দিয়ে দ্রুত ফলাফল পাওয়ার পদ্ধতি।
🔹 SEM (সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং) – Google Ads, Bing Ads-এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে ট্র্যাফিক আনা।
🔹 পেইড সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং – Facebook Ads, Instagram Ads, TikTok Ads-এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন চালানো।
🔹 ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং – জনপ্রিয় ব্যক্তিদের (ইনফ্লুয়েন্সার) মাধ্যমে ব্র্যান্ড বা পণ্য প্রচার।
🔹 স্পনসরড কনটেন্ট – ব্লগ, নিউজ সাইট বা ইউটিউবে পেইড প্রোমোশন করা।

0 Comments